ভারতের সর্বপ্রথম সম্পূর্ণ সৌরশক্তি দ্বারা চালিত অঞ্চল দিউ
ভারতের কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল দিউ শুধুমাত্র গত তিন বছরে সৌরশক্তি উত্পাদনে দ্রুত সাফল্য লাভই করেনি ,প্রয়োজনের অতিরিক্ত বিদ্যুত্ উত্পাদন করে ৫৬ হাজার জনগনের চাহিদা পূরনেও সমর্থ হয়েছে | দিউ দৈনিক ১৩ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন করে যা থেকে প্রায় ১০ মেগাওয়াট আসে সৌরশক্তি উৎপাদন কেন্দ্র থেকে ও বাকি ৩ মেগাওয়াট শক্তির চাহিদা পূরণ করা হয় বাড়ির ছাদের সৌরকোষ থেকে। স্থানীয়ও বৈদ্যুতিন সংস্থা সৌরশক্তি থেকে বিদ্যুৎ উৎপাদন করায় দিউ এর বিদ্যুৎ ঘাটতি হ্রাস পেয়েছে।
বিরল ধাতু সিজিয়ামের সন্ধান মিললো রাজ্যে
জিওলজিক্যাল সার্ভে অফ ইন্ডিয়া এর তত্ত্বাবধানে সম্প্রতি পশ্চিমবঙ্গের পুরুলিয়া জেলা থেকে বিরল ধাতু সিজিয়ামের (Cs) সন্ধান মিলছে। পলুসাইট (Pollucite) নামক একটি খনিজ বিশ্লেষণ করে সিজিয়াম ধাতুটি পাওয়া যায়। Cs নির্মিত ঘড়িতে এরর error বা ভুল প্রায় থেকেই না যে কারণে উপগ্রহে সিজিয়াম ধাতু নির্মিত ঘড়ি ব্যবহৃত হয়। চীন দেশে এই ধাতু পাওয়া গেলেও ভারতে এই ধাতু পশ্চিমবঙ্গ ছাড়া অন্য কোথাও পাওয়া যায়নি। এজন্য জি এম আইয়ের পশ্চিমবঙ্গ শাখাকে মিনারেল আওয়ার্ডে ভূষিত করা হয়েছ
আটা : ছ ' ইঞ্চি লম্বা অদ্ভুতদর্শন এক মহিলার কঙ্কাল
২০০৩ সালে চিলির আটকান মরুভূমির আটাকামা এলাকায় , লা নোরিয়া শহরের মরু অংশ থেকে উদ্ধার হয় হাতের তালুর মতো ছ 'ইঞ্চি লম্বা এক অদ্ভুত দর্শন কঙ্কাল। প্রাপ্তিস্থানের নামানুযায়ী এর নামকরণ হয় ' আটা '। তারপর থেকেই জল্পনা শুরু হয় কঙ্কালটিকি ভিনগ্রহের প্রাণীর নাকি মানুষের ! প্রথমে অনুমান করা হয়ে ছিল , এটি একটি ২২ মাসের ভ্রূণের কঙ্কাল। পরে মনে করা হয় , এটি ৬ - ৮ বছর বয়েসি একটি শিশুর কঙ্কাল , যার বুকের পাঁজরের সংখ্যা ছিল ১০ টি এবং মাথাটি ভারী অদ্ভূৎ, নীচ থেকে উপরের দিকে সরু হয়ে গেছে। সম্প্রীতি স্ট্যানফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক গারি নোলানের গবেষণার দ্বারা সত্যের উদঘাটন ঘটেছে। 'আটা' র বুকের পাঁজরের হাড় থেকে মজ্জা সংগ্রহ করে জিন বিশ্লেষণ দ্বারা জানা গেছে ,এটি একটি মহিলার কঙ্কাল ,যিনি হাড়ের গুরুতর অসুখে ভুগছিলেন। ২০০৩ এর আগেও মেক্সিকোয় একই ধরণের ১৩ টি মানব কঙ্কাল পাওয়া গিয়াছিল। এই কঙ্কাল গুলির সঙ্গে 'আটা ' র অবয়বের মিল থাকলেও আকার 'আটা' র মতো এতো ছোট ছিল না, কিনতু মাথা ছিল অনেকটাই সরু।